মামলা হচ্ছে পার্থসহ ৩৮ নেতার বিরুদ্ধে

ঢাকা: বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থসহ ৩৮ জন নেতার বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এসব প্রার্থীরা নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেননি। আর তালিকায় থাকা বেশিরভাগই বিএনপির নেতা।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীকে দিতে হয়। কোনো প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত সময়ে মধ্যে জমা না দিলে, তার বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিজয়ী প্রার্থীদের গেজেট ১ জানুয়ারি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে পাঁচ মাস আগেই।

আইন অনুযায়ী, যথাসময়ে হিসাব না দিলে দুই থেকে সাত বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৯টি নিবন্ধিত দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে নির্বাচনে মোট ১ হাজার ৮৬১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৩৩ জন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী ১২৮ জন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীকেই নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ ও শরিকদের মিলিয়ে নৌকা মার্কায় ২৭২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি ও শরিকদের প্রার্থী ছিলেন ২৮২ জন। সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ছিলো হাতপাখা প্রতীকের ইসলামী আন্দোলনের। দলটি নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বৈধ প্রার্থী হয়েছিলেন। পরে তিনি ভোলা-১ থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। আর ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী, চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) নির্বাচিত হন।

সবখবর/ নিউজ ডেস্ক

Facebook Comments