শৈশব জীবন ভুলতে পারেনি ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি

মোঃ আতিকুর রহমান আজাদ,কালকিনি(মাদারীপুর): এদেশের কাঁদা মাটি,ঝড় বৃষ্টি আর সবুজ ঘাসের খেলা ধুলার মধ্যে দিয়ে শৈশব কাটিয়েছন কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের উত্তর রমজানপুর গ্রামের মরহুম হাজ্বী তৌয়ব আলী মিয়ার ছেলে গোলাপ। ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্ররাজনীতির সাথে আবদ্ধ হন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করেই ছাত্রলীগের গুরুত্ব পুর্ন দায়িত্ব পালন করেন নিষ্ঠা ও সততার সাথে।পাশাপাশি ভাল শিক্ষার্থী হিসেবে ও ছিল পুরো ছাত্রজীবনটা। তিনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। বিদেশেও পড়াশুনা করে অর্জন করেছেন ডক্টরেট ডির্গী।

বাংলাদেশের মান চিত্র ছিনিয়ে আনতে,সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে ৭১ সালে যুদ্ধে ও যাপিয়ে পরেন দেশমাতৃকা সম্মুনত রাখার জন্য। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নামিয়ো তালিকায় সংযুক্ত হয়ে যায় ড. আবদুস সোবহান গোলাপ মিয়ার নামটি।

শুধু ছাত্রলীগই নয়, আওয়ামীলীগের বিভিন্ন সংগঠনেরই দায়িত্ব ছিলেন। নিজের সাংগঠনিক কর্মদক্ষতাই তাকে পৌছে দেয় আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। আজ তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক।জাতীয়একাদশ সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা মাদারীপুর-৩ আসনের নৌকা তুলে দেন তার হাতে,বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এ আসনটি উপহার দেন জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

আর এলাকার উন্নয়নের লক্ষে কাজও করে যাচ্ছেন তিনি। সময় পেলেই ছুটে আসেন নিজ গ্রামে,যে খানে জড়িয়ে আছে মা-মাতৃমায়া। ভুলতে পারেননি তার সেই শৈশব জীবন। খেবলা জাল নিয়ে ছুটে যান মাছ ধরতে। অনাআশে নেমে পরেন নিজেই পুকুরে।

এ যেন সত্যিই সাধারন একজন মানুষ। হাঁসিখুশি মুহুর্তের সময়টা দেখতে ছুটে আসেন এলাকার লোকজন। বিশ্বাস করতেই পারছেন না অনেকে। উৎসুক জনতা বলতে শোনা যায়, এ কি সত্যি আমাদের উত্তর রমজানপুর গ্রামের গোলাগ।

সবখবর/ আওয়াল

Facebook Comments