আরিচা বন্দর রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের দাবী | সব খবর | Sob khobar আরিচা বন্দর রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের দাবী | সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :




আরিচা বন্দর রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের দাবী

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০
  • ৩০৪ জন পড়েছে

শহিদুল ইসলাম, শিবালয়: যমুনার কড়াল গ্রাস থেকে ঐতিহ্যবাহী আরিচা নদীবন্দর রক্ষায় স্থায়ীভাবে বেড়ীবাঁধ নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন শিবালয় বন্দর ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। অসময়ে যমুনার ভয়বহ ভা্গংনে হুমকির মুখে পড়েছে আরিচা নদী বন্দর, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। আরিচা নদী বন্দর ও হাট থেকে সরকার প্রতি বছর সরকারের বিপুল পরিমান রাজস্ব লাভ হলেও বন্দর রক্ষায় তেমন কোন পদক্ষেপ লক্ষ হয়নি। ভাঙ্গন রোধে স্থানীয়ভাবে কিছুটা চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও আগামী বর্ষা মওসুমে এ বন্দর রক্ষা হবে কিনা এ নিয়ে সঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী মহল ও স্থানীয়রা।

সরজমিনে আরিচা ঘাটের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে, গত দুই বছর আগেও আরিচা ঘাটের যমুনা পড়ে যেখানে ছিল ধু-ধু বালুর চর এবার সে স্থানে দেখা মিলছে গভীর পানি। পানির তীব্র স্রোতে যমুনার পাড়ে ‘কাটাল’ পড়ে ভয়াবহ ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে বন্দর এলাকার কয়েকটি দোকান ঘর নদীতে ধ্বসে পড়েছে। এতে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আতংকের মধ্যে রয়েছে। যেভাবে নদী ভাঙ্গন শুরু হয় তা বিগত ৫০ বছরেও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বর্ষা শুরুর আগে ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে নদীবন্দর বিলিন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ থেকে রক্ষায় নদীর পাড়ে স্থায়ী বেড়ীবাঁধ বা জিও ব্যাগ ভর্তি বালুর বস্তা ফেলা যেতে পারে বলে বিজ্ঞমহল মত দিয়েছেন।

এছাড়া, ভাঙ্গন রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে স্থানীয় বন্দর ব্যবসায়ী সমাজ কল্যাণ সমিতি’র পক্ষে পানি সম্পাদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য মানিকগঞ্জ-১, জেলা প্রশাসক মানিকগঞ্জ, নির্বাহী প্রকৌশলী বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, নির্বাহী প্রকৌশলী বিআইডব্লিউটিএ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবালয় বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

শিবালয় বন্দরে ব্যবসায়ী ইয়াকুব শিকদার এ প্রতিবেদককে বলেন, গত শুস্ক মওসুমে আরিচা ঘাটের কাছে যমুনায় অপরিকল্পিক ড্রেজিং করায় পানির গতি প্রবাহ বেড়ে তীরে ভাঙ্গন দেখা দেয়। বিগত ৫০ বছরেও এরকম ভাঙ্গন আমরা দেখিনি। বর্ষা মওসুমের আগেই নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এ বন্ধর রক্ষা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

শিবালয় বন্দর ব্যবসায়ী সমাজ কল্যাণ সমিতি’র সভাপতি আব্দুল লতিফ জানান, আরিচা নদীবন্দর ও হাট-বাজার ইজারা থেকে সরকার প্রতিবছর কোটি-কোটি টাকা রাজস্ব পেলেও বন্দর রক্ষায় নজর দিচ্ছেন না। অসময়ের যমুনার ভাঙ্গনে বন্দরের পশ্চিম পার্শ্বের বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্টান ইতোমধ্যে বিলিন হয়েছে। পুড়ো বন্দর এলাকা হুমকির মুখে রয়েছে। এহেন অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য জন্য আরিচা ঘাট সংলগ্ন নিহালপুর এলাকা হতে দক্ষিণ শিবালয় পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে বেড়ীবাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আগামী বর্ষা মওসুমে এ বন্দর রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

এব্যাপারে মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিন জানান, আরিচা ঘাট ও বন্দরের নদী এলাকা ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় এমপি মহোদয়, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ আমাকে তাগিদ দিয়েছেন। নরমালি প্রপোজাল উর্দ্ধত্বন মহলে প্রেরণ করা হয়েছে। বন্দর এলাকা রক্ষায় বর্ষার আগেই কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হবে। ভাঙ্গন রোধে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর