কুবি বিএনসিসি প্লাটুনের হিল ট্রেকিং অভিযান - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
কুবি বিএনসিসি প্লাটুনের হিল ট্রেকিং অভিযান - সব খবর | Sob khobar




কুবি বিএনসিসি প্লাটুনের হিল ট্রেকিং অভিযান

তানভীর আহমেদ রাসেল,কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যায়ল প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮৮ জন পড়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অন্যতম সেচ্ছাসেবী সংগঠন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুনের উদ্যোগে দুঃসাহসিক হিল ট্রেকিং অভিযান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার ৭ নভেম্বর এই হিল ট্রেকিং অভিযানটি কুবি বিএনসিসি প্লাটুনের ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) তন্ময় কুমার সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত হয়।

৯ সদস্য বিশিষ্ট এই হিল ট্রেকিং অভিযানে অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুনের বর্তমান ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) তন্ময় কুমার সরকার, ঢাবি বিএনসিসি প্লাটুনের এক্স সিইউও ইসমাইল হোসেন জুয়েল, এক্স ক্যাডেট সার্জেন্ট মোঃ মিনহাজুল আবেদীন, এক্স ক্যাডেট সার্জেন্ট নিজাম উদ্দিন, এক্স ক্যাডেট কর্পোরাল এনামুল হক, ক্যাডেট কর্পোরাল মাহমুদুল হাসান, ক্যাডেট আব্দুল আলিম, ক্যাডেট প্রদীপ ত্রিপুরা এবং ক্যাডেট শামীম আশরাফ।

হিল ট্রেকিং অভিযানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয় এবং শেষ হয় লালমাই বরুড়ার সংযোগস্হলের চন্ডীমূড়া মন্দিরে গিয়ে।

অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে ক্যাডেটরা তাদের সাথে করে পর্যাপ্ত পানি, স্যালাইন, বিভিন্ন রকমের ফল, শুকনা খাবার, পথ চলার জন্য লাঠি, দিক নির্দেশের জন্য ম্যাপ এবং কম্পাস ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তাঁদের সাথে ছিল যা তাঁদের পথ চলার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে।

অভিযান শুরুর ঘন্টাখানিক পথ অতিক্রম করার পরই প্রথমে দর্শনীয় স্হান হিসেবে পড়ে আদিনাথ মূড়া মন্দির। ক্যাডেটরা পাহাড়ের ওপর অবস্থিত এই মন্দির দর্শনের জন্য অনেকগুলো সিঁড়ি অতিক্রম করে পৌঁছে যায় আদিনাথ মন্দিরের পাহাড়ের চূঁড়ায়। প্রাচীন এই মন্দির দর্শনের পর সেখানে অল্প কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তাদের পথচলা আবার শুরু হয়।

এখন লক্ষ হলো চন্ডীমূড়া মন্দির। বার বার ক্যাডেটদের দিক ভ্রম হলেও পরক্ষণেই ম্যাপ দেখে তা ঠিক করে নেয়। চন্ডীমূড়া যাওয়া পথে ক্যাডেটদের কঠিন এক পরীক্ষা দিতে হয়। একের পর এক ঢালু পাহাড় যাত্রা পথে তাঁদের বাঁধা হয়ে সামনে পড়ে।

ঝোপজঙ্গলে ঢাকা এসব পাহাড় যেন ক্যাডেটদের এক কঠিন পরীক্ষা নিয়ে ছাড়লো। ক্যাডেটরাও সহজে হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। সিনিয়র ক্যাডেটদের বিচক্ষণতাই একের পর এক পাহাড় অতিক্রম করে তারা তাদের গন্তব্য স্হলের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।

পথিমধ্যে ক্যাডেটরা তাঁদের কাছে নিয়ে আসা নাস্তা খেয়ে নেয় বন জঙ্গলে ঘেরা পাহাড়ের ওপর বসেই। নাস্তা খেয়ে আবার তাদের পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ ৫ ঘন্টা হেঁটে ১৫ কিলোমিটারের ওপর পথ অতিক্রম করে ক্যাডেটরা তাদের গন্তব্যস্হল চন্ডীমূড়া মন্দিরে গিয়ে পৌঁছে।

কুমিল্লায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যে কয়েকটি তীর্থস্থান রয়েছে তার মধ্যে এই চণ্ডীমুড়া ঐতিহ্য অন্যতম। চণ্ডীমুড়ায় ২টি মন্দির পাশাপাশি অবস্থিত। দক্ষিণ পাশের মন্দিরটি চণ্ডী মন্দির ও উত্তর পাশের মন্দিরটি শিব মন্দির। মন্দির দুটো সপ্তম শতাব্দীতে নির্মিত। নিচ থেকে এতে উঠতে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৮০টি সিঁড়ি অতিক্রম করতে হয়।

বর্তমানে সনাতন ধর্মালম্বী ছাড়াও নানা ধর্মের পর্যটক প্রতিদিনই এই মন্দির পরিদর্শনে আসেন।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর