ক্ষমা নেই যাদের - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
ক্ষমা নেই যাদের - সব খবর | Sob khobar




ক্ষমা নেই যাদের

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫০৭ জন পড়েছে

সবখবর ডেস্ক : অষ্টম হিজরির রমজান মাসে ঐতিহাসিক এই বিজয় অর্জিত হয়। মক্কা বিজয় ইসলামের ইতিহাসে বাঁকবদলকারী এক যুগান্তকরী ঘটনা। মক্কা বিজয়ের পর আরব ভূখণ্ডে ইসলামের অগ্রযাত্রা অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে এবং তার আলো ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বময়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সংঘাত ও রক্তপাত এড়ানোর সাধারণ নির্দেশনা জারি করেন। তবু বিক্ষিপ্ত ঘটনায় ১২-১৪ জন মানুষ নিহত হয়। (ড. উসমান কাদির, কিরায়াতু ফি ফাতহি মক্কা, পৃষ্ঠা ২৪)। রাসুলুল্লাহ (সা.) সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে বলেন, তোমাদের
বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। যাও তোমরা আজ মুক্ত। (কাশশাফ : ৬/৪৫১)

রহমতের নবী মুহাম্মদ (সা.) সে মানবিক ক্ষমার দিনও চার পুরুষ ও দুই নারীর বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন। সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) মক্কায় সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। তবে চার পুরুষ ও দুই নারী ছাড়া। তিনি বলেন, তাদের যদি কাবার গিলাফ আঁকড়ে ধরা অবস্থায়ও পাও তবু তাদের হত্যা করো। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৬৮৩) মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলো,

আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল : সেও ইসলাম গ্রহণ করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে সদকা আদায়ের জন্য পাঠালে সহকর্মীকে হত্যা করে সে মক্কায় পালিয়ে যায় এবং ইসলাম ত্যাগ করে। সাঈদ ইবনে হুরাইস মাখজুমি এবং আবু জাররাহ আসলামি (রা.) তাকে হত্যা করেন।

হুরাইস ইবনে নুকাইস : তার অপরাধ ছিল সে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দুই মেয়েকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছিল। আলী (রা.) তাকে হত্যা করেন।

হুবাবা ইবনে মুকিস : সে একজন আনসারি সাহাবিকে হত্যা করে এবং ইসলাম ত্যাগ করে মক্কায় পালিয়ে যায়। নামিলা বিন আবদুল্লাহ (রা.) তাকে হত্যা করেন।

সাদ ইবনে আবদুল্লাহ : প্রথমে ইসলাম গ্রহণ করে এবং পরবর্তী সময়ে মুরতাদ হয়ে মক্কার কাফেরদের সঙ্গে যোগ দেয়। সে উসমান ইবনে আফফান (রা.)-এর কাছে আশ্রয় চাইলে তাঁর সুপারিশে রাসুল (সা.) তাকে ক্ষমা করেন। ক্ষমাপ্রাপ্ত হওয়ার পর সে পুনরায় ইসলাম গ্রহণ করে।

আবদুল্লাহ ইবনে খাতালের দুই বাঁদি : তারা তাদের মনিবের সঙ্গে কবিতা ও গানে গানে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিরুদ্ধে কুৎসা রচনা করত। তাদের একজনকে হত্যা করা হয় এবং অপরজন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নিরাপত্তা লাভ করে এবং ইসলাম গ্রহণ করে। (ড. উসমান কাদির, কিরায়াতু ফি ফাতহি মক্কা, পৃষ্ঠা ২৪-২৫)




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর