ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলেই যাবে চাকরি | সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলেই যাবে চাকরি | সব খবর | Sob khobar




ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলেই যাবে চাকরি

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭৩ জন পড়েছে

ঢাকা: পুলিশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। এই অভিযান নজিরবিহীন হলেও বিশ্লেষকরা এটিকে নিয়ে করছেন প্রশংসা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাহিনীর সন্দেহভাজন মাদকাসক্ত সদস্যদের ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন পদমর্যাদার শতাধিক পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করা হয়। ওই টেস্টে ২৬ সদস্য মাদকাসক্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়া এসব পুলিশ সদস্যের বেশিরভাগই ইয়াবায় আসক্ত ছিলেন। এখন বিভাগীয় মামলার মাধ্যমে তাদের চাকরিচ্যুত করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সূত্র বলছে, তবে এখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয় ধাপেও ডিএমপিতে একই আদলে পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করা হবে। পরীক্ষায় পজিটিভ হলেই তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের এমন প্রক্রিয়ায় ডোপ টেস্ট করার ঘটনা নজিরবিহীন। এর আগে বিভিন্ন সময় দু-একজন সদস্য মাদক সেবন বা মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিচ্ছিন্নভাবে শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন। তবে এভাবে শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে মাদকাসক্ত সদস্যদের শনাক্ত করার পরিকল্পিত প্রয়াস অতীতে দেখা যায়নি। বাহিনীর মাদকাসক্ত সদস্যদের কঠোর বার্তা দিতে চায় পুলিশ প্রশাসন। পাশাপাশি অন্যান্য পেশার মাদকাসক্তদেরও শোধরাতে হবে। নতুবা কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সূত্রে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিএমপি কমিশনার হিসেবে আমি যোগদানের পরপরই সাবধান করেছিলাম পুলিশে যারা মাদকাসক্ত, তারা যেন নিজেদের শুধরে নেয়। একাধিকবার সতর্ক করেছি। এরপর ডিএমপির ডিসিদের মাধ্যমে তালিকা করেছি। যারা মাদকাসক্ত, এমন সন্দেহভাজন সদস্যদের তালিকা করে সিআইডির ল্যাবে তাদের রক্ত ও প্রস্রাবের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ডিএমপির ১০০ জনের বেশি সদস্যের টেস্ট করা হয়। এতে ২৬ জন মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। পুলিশ মহাপরিদর্শক পরামর্শ দিয়েছেন, পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ক্লিন ইমেজ থাকতে হবে। মাদকসেবী সদস্যদের চাকরিতে রাখা হবে না।

আমরা সব লেভেলের পুলিশ সদস্যদের এই টেস্টের আওতায় নিয়ে আসব। যে পদমর্যাদার হোক না কেন, আমরা কাউকেই ছাড়ব না। ডোপ টেস্টের জন্য সরকারি দুটি প্রতিষ্ঠান। সিআইডি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরীক্ষাগার। রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে মাদকাসক্ত পুলিশ সদস্যরা যাতে ভবিষ্যতে কোনো সুবিধা নিতে না পারে, সে জন্য সিআইডির পরীক্ষাগারে ডোপ টেস্ট করা হয়েছে বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান।

সবখবর/ নিউজ ডেস্ক




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর