দোষীদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় : এসি রবিউলের মা - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
দোষীদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় : এসি রবিউলের মা - সব খবর | Sob khobar




দোষীদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় : এসি রবিউলের মা

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৪৩ জন পড়েছে

মানিকগঞ্জ : আমার ছেলের হত্যাকারীদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয়। আগামীকালের রায় যেন পৃথিবীর বুকে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। আমি চাইনা পৃথিবীর আর কোন মা যেন অকালে তার সন্তানকে হারায়। কোন সন্তান যেন এভাবে তার বাবাকে না হারায়। কোন স্ত্রী যেন তার স্বামীকে না হারায়। এ সব কথা বলতে বলতে কান্নায় ঢলে পড়েন হলি আর্টিজান হামলায় নিহত মানিকগঞ্জের সন্তান এসি রবিউল করিমের মা কারিমুুন্নেসা বেগম।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছিলেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কাটিগ্রাম এলাকার মৃত. আব্দুল মালেকের বড় ছেলে এসি রবিউল করিমের। আগামীকাল বুধবার সেই জঙ্গি হামলার রায় ঘোষণা করবেন আদালত। সেই রায়ে দোষীদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় এমন আশায় বুক বেঁধে আছেন নিহত রবিউলের পরিবার।

রবিউলের মৃত্যুর পর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন পরিবারটি। গত দুই বছর আগে রবিউলের স্ত্রী উম্মে সালমার চাকরী হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি সেখানে প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন। চাকরীর সুবিধার্থে তিনি ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুরে বাবার বাড়িতে বসবাস করছেন। নিহত রবিউলের দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে সাজিদুল করিম (৮) পড়ছে ধামরাইয়ের একটি স্থানীয় স্কুলে। ছোট মেয়ে রাইমার বয়স সাড়ে তিন বছর। রবিউল করিমের মৃত্যুর একমাস পরেই পৃথিবীর মুখ দেখে রাইমা।

রায় নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানতে কথা হয়েছিল রবিউল করিমের স্ত্রী উম্মে সালমার সাথে। তিনি জানান, ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীরা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়। দেশ ও দেশের বাইরের সবার কাছে যেন এই রায় অনুকরণীয় হয়ে থাকে। তাহলেই রবিউলের আত্না শান্তি পাবে।

তিনি আরো জানান, ২০১২ সালে রবিউল তার নিজ উদ্যোগে গ্রামের ঝরে পড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের পড়াশুনার জন্য ব্লুমস নামে একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর রবিউলের কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব মিলে কোন রকম স্কুলটি চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকার যদি এই স্কুলটির দিকে একটু নজর দিতেন তাহলে রবিউলের স্বপ্নটা বেঁচে থাকতো।

উম্মে সালমা আরো বলেন, তার স্বামীকে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে কিন্তু তার কোন দালিলিক প্রমাণ নেই। সরকার যদি একটা সনদের ব্যবস্থা করে দিত তাহলে ভবিষ্যতে আমার সন্তানেরা এটা কোথাও প্রমাণ দিতে পারতো।

এসি রবিউল ইসলামের ছোট ভাই শামসুজ্জামান শামস বলেন, ২৭ নভেম্বরের রায়টি হবে একটি দৃষ্টান্তমূলক রায়। এই রায়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হবে যে, দেশবাসী এবং সরকার জঙ্গিবাদকে কখনো প্রশয় দেয়নি বা দিবেও না। এই রায়ের দিকে শুধু দেশবাসী নয় বরং বিশ্ববাসীও তাকিয়ে আছে।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর