নজর কেড়েছে গৃহবধূ ফিরোজার ‘রংবাজ ও বিন্দাস’
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
নজর কেড়েছে গৃহবধূ ফিরোজার ‘রংবাজ ও বিন্দাস’




নজর কেড়েছে গৃহবধূ ফিরোজার ‘রংবাজ ও বিন্দাস’

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৪ জুলাই, ২০২২
  • ৮০ জন পড়েছে

এবারের কোরবানির হাট মাতাতে প্রস্তুত ৩৫ মণ ওজনের রংবাজ ও বিন্দাস। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ষাঁড় দুটি লালন পালন করছেন ফিরোজা বেগম নামের এক গৃহবধু। তিনি ষাঁড় দুটির দাম হাকাচ্ছেন ৩০ লাখ টাকা। জেলার সবচেয়ে বড় দুটি ষাঁড় দেখতে প্রতিদিনই ফিরোজার বাড়িতে ভীড় জমাচ্ছেন মানুষ।

সাটুরিয়া উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামের প্রবাসী হারুন মিয়ার স্ত্রী ফিরোজা বেগম। তিন বছর আগে প্রায় ৪ লাখ টাকা দিয়ে তিনি কিনেছিলেন ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি ষাঁড়। দশ মাস বয়সী ষাঁড় দুটিকে তিনি সন্তানের মত লালন পালন করেছেন। ভালবেসে ষাঁড় দুটির নাম দিয়েছেন রংবাজ ও বিন্দাস। দুটি ষাঁড়ের ওজনই ৩৫ মণ করে। কুড়ো, ভুষি, ঘাস ও দেশীয় ফলমূল খাইয়ে বড় করেছেন তাদের। রংবাজ ও বিন্দাসের মেজাজ ঠিক রাখতে দিনে ৪ থেকে ৫ বার করানো হয় গোসল। প্রতিদিন তাদের খাবার খরচ দুই হাজার টাকার ওপরে।

ফিরোজা বেগম জানান, তিন বছর আগে ৪ লাখ টাকা দিয়ে তিনি ষাঁড় দুটি কিনেছিলেন। তখন তাদের বয়স ছিল ১০ মাস বয়স। এই ষাঁড়ের পেছনে তার অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে। প্রতিদিন দুই হাজার টাকার ওপরে তাদের পেছনে খরচ হয়। দুটি ষাঁড়ের পেছনে এই ক‘বছরে প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। তিনি ১৫ লাখ টাকা করে দুটি ষাঁড়ের দাম চাচ্ছেন ৩০ লাখ টাকা।

তিনি আরো জানান, নিজেরা না খেয়ে ষাঁড় দুটির পেছনে সব টাকা খরচ করেছেন। অনেক টাকা ঋণও হয়ে গেছে। ন্যায্য দামে ষাঁড় দুটি বিক্রি করতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পরবেন বলে তিনি আরো জানান।

জান্না গ্রামের আব্দুল হক জানান, সাটুরিয়া নয় শুধু জেলার মধ্যে ফিরোজার ষাঁড় দুটিই সবচেয়ে বড়। ষাঁড় দুটি দেখতেও অনেক সুন্দর। একজন নারী হয়ে ফিরোজা বেগম যেভাবে ষাঁড় দুটি পালন করেছেন সত্যিই তা প্রশংসনীয়। তিনি যেন ন্যায্য দামে ষাঁড় দুটি বিক্রি করতে পারেন।

বালিয়াটি গ্রামের হাসান মিয়া জানান, ফিরোজা বেগম দু:সাহসিক কাজ করেছেন। একাই এত বড় ওজনের দুটি ষাঁড় তিনি পালন করেছেন। ষাঁড় দুটি যথা সময়ে বিক্রি করতে পারলে তিনি অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবেন।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মেহেদী হাজার জানান, ফিরোজা বেগম সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে ষাঁড় দুটি লালন পালন করেছেন। তার ষাঁড় দুটিই জেলার সবচেয়ে বড়। প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে ষাঁড় দুটির নিয়মিত খোঁজ খবর নেয়া হতো। আশা করি তিনি ন্যায্য দামে ষাঁড় দুটি বিক্রি করতে পারবেন।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর