নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরিরামপুরে চলছে কোচিং বাণিজ্য | সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরিরামপুরে চলছে কোচিং বাণিজ্য | সব খবর | Sob khobar




নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরিরামপুরে চলছে কোচিং বাণিজ্য

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২৪৭ জন পড়েছে

মানিকগঞ্জ: এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে চলছে জমজমাট কোচিং বাণিজ্য। গত ১৬ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি এক বিবৃতিতে ২৫ জানুয়ারি থেকে একমাস দেশের সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। শিক্ষামন্ত্রীর সেই নির্দেশ অমান্য করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন খন্ডকালীন শিক্ষক এবং কোচিং সেন্টারের মালিকরা অবাধে কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছেন।

সরেজমিন উপজেলার বিভিন্নস্থানে ঘুরে দেখা গেছে, হরিরামপুরের ঝিটকা বাজার এবং পাশ্ববর্তী এলাকায় বেসিক একাডেমি, নলেজ পয়েন্ট কোচিং সেন্টার, স্টুডেন্টস কেয়ার হোম, এ বি কোচিং সেন্টার, এ আর কোচিং সেন্টার, এস কোচিং সেন্টার কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছে। এছাড়াও নাম বিহীন কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছেন রাশেদ ও রহিম নামে দুইজন। ঝিটকা বাজারের পাশে ঘর ভাড়া নিয়ে কোচিং চালাচ্ছেন ঝিটকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক মো: কাঞ্চন খান, মোঃ আওয়াল হোসেন (আজাদ), সহকারী শিক্ষক শামীম, মজিবর রহমান ও মোঃ শহিদুল ইসলাম, ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান ও মো. চুন্নু সহ আরো অনেকেই।

এছাড়ও, গোপীনাথপুর ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় নামবিহীন কোচিং পরিচালনা করছেন শাকিল, আপন, ও নীলকমল নামের আরো বেশ কয়েকজন।

কোচিং সেন্টার মালিক ও খন্ডকালীন শিক্ষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে সকালে ও বিকালে কোচিং চালাই। এছাড়া দীর্ঘ এই এক মাস কোচিং বন্ধ রাখলে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় একটু অমনোযোগী হয়ে পড়বে এবং তাদের কাছ থেকে বেতনও নেওয়া যায় না। তাই কোচিং সেন্টারের ঘর ভাড়া এবং যাবতীয় খরচ মেটাতেই আমাদের এটিকে চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

তাছাড়া এক মাস কোচিং বন্ধ রাখলে ছাত্রছাত্রীরাও পড়াশোনায় একটু পিছিয়ে যাবে। সেই জন্যও আমরা কোচিং বন্ধ করছি না। তাছাড়া আমাদের এখানে প্রশাসন থেকে কেউ তেমন ভাবে নিষেধ না করায় আমরা এই কোচিং চালিয়ে যাচ্ছি।

এবিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নিগার সুলতানা চৌধুরীর মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও বন্ধ পাওয়া গেলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, আমরা কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে সবাইকে চিঠি দিয়ে দিয়েছি, এরপরও তারা যদি আমাদের নির্দেশ অমান্য করে কোচিং চালিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর