পদ্মায় আকস্মিক ভাঙনে হুমকির মুখে তীর সংরক্ষণ বাঁধ - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
পদ্মায় আকস্মিক ভাঙনে হুমকির মুখে তীর সংরক্ষণ বাঁধ - সব খবর | Sob khobar




পদ্মায় আকস্মিক ভাঙনে হুমকির মুখে তীর সংরক্ষণ বাঁধ

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৩ জন পড়েছে

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙন শুরু হয়েছে। হুমকিতে পরেছে পদ্মা তীর রক্ষার ৮.৮ কিলোমিটার বাঁধ। হুমকির মুখে পড়েছে আন্ধারমানিক বাজার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান।

বাধঁ এলাকার বাইরেও ভাঙন আতঙ্কে দিনপার করছেন, কাঞ্চনপুর, রামকৃষ্ণপুর, হারুকান্দি, আজিমনগর ও লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার পরিবার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে নদীভাঙন রোধে ফ্লাড অ্যান্ড রিভার ব্যাংক ইরোশন রিক্স ম্যানেজমেন্ট ইনভেস্টম্যান প্রোগ্রাম (প্রথম পর্যায়) এর আওতায় ৮.৮ কিলোমিটার অংশে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আলগীরচর থেকে হারুকান্দি ইউনিয়নের শেষ পর্যন্ত নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মিত হয়।

স্থানীয়রা জানান, পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে আন্ধারমানিক, খালপাড় বয়ড়ার কড়ইতলা এলাকা, কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারচর, কালীতলা এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। এছাড়া চরাঞ্চলের লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের সেলিমপুর এলাকায়ও ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন হুমকিতে রয়েছে চরাঞ্চলের আজিমনগর ইউনিয়নের বাসিন্দারাও।

পদ্মাপাড়ের আন্ধারমানিক কড়ইতলা এলাকার দোকানদার আক্কাস আলী বলেন, এবার পদ্মায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বাধেঁ ভাঙন শুরু হইছে। এর আগে পাচবার বাড়ি ভাঙছে। বাড়ি আর দোকান ভাঙলে আমরা থাকমু কই! খামু কি! সরকারের কাছে বাঁধ ঠিক করে ভাঙন বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

খালপাড় বয়ড়া এলাকার কালাম বেপাড়ীর স্ত্রী বলেন, সরকার একটা ব্যবস্থা না নিলে থানা হাট বাজার খালপাড় কিছুই থাকবোনা। দ্রুত বান্দের কাজ করার দাবি করতেছি।

কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী বনি ইসলাম বলেন, গত বছর পদ্মার ভাঙণে কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারচর এলাকায় অনেকগুলো বাড়ি ভেঙে গেছে। এবছরও কালিতলা কুশিয়ারচর এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

পাটগ্রাম অনাথবন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হরিপদ সূত্রধর বলেন, ছোট সময় থেকে পদ্মা ভাঙ্গণ দেখেছি। পদ্মার ভাঙনে হরিরামপুরের শতশত গ্রাম, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, ফসলের ক্ষেত বিলীন হয়ে গেছে। হরিরামপুর রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পদ্মা তীর রক্ষা বাঁধের খালপাড় কড়ইতলা ভাঙন বিষয়ে জেলা প্রশাসক স্যারকে জানিয়েছি। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞদের এনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ও স্যারকে অনুরোধ করেছি। শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞ দল আসবেন বলে আশা করছি। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডও বিষয়টি অবহিত আছে।

মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এখনো পদ্মায় তেমন পানি বৃদ্ধি পায়নি। তবে বর্ষায় পানি বৃদ্ধি পেলে ভাঙন বেড়ে যায়। বাঁধ সংস্কারসহ অনেকগুলো প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুৃমোদন পেলে কাজ শুরু করতে পারবো।

আআ




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর