পাবনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ | সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
পাবনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ | সব খবর | Sob khobar




পাবনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭৭ জন পড়েছে

পার্থ হাসান, পাবনা: দিনভর নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে পাবনার বেড়ায় আটককৃত যুবককে ১০ পিস ইয়াবা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। অথচ বুধবার রাতে তাকে আটকের পর তার নিকট থেকে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে পুলিশ দাবী করলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশের বিরুদ্ধে ওই যুবককে মাদক দিয়ে ফাসানোর অভিযোগ করেন। আটক যুবক শাহাজান আলী ঝন্টু (৩৫) বেড়া পৌর এলাকার শালিকাপাড়া মহল্লার মোসলেম মোল্লার ছেলে।

বেড়া থানার পরির্দশক (এসআই) আব্দুল বারেক মামলার এজহারের বরাত দিয়ে জানান, ঝন্টু বেড়া থানার সিএন্ডবি বাজার এলাকায় মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। এমন গোপন সংবাদে বুধবার সন্ধ্যায় আমরা অভিযান চালাই। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ঝন্টু দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটকের পর উপস্থিত জনতার সামনে তল্লাসী চালানো হয়। এ সময় তার প্যান্টের ডান পকেট থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যবলেট উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬/১ টেবিলের ১০ এর (ক) ধারায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

তবে এই পুলিশ কর্মকর্তা ঝন্টুকে আটকের পর তার নিকট থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধোরের বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নিশ্চিত করেন। ১০ পিস ইয়াবা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, গত রাতেও আমি ১০ পিসের কথাই বলেছি। এদিকে গত রাতে তার কথার অডিও রেকর্ড রয়েছে জানালেও তিনি ১০ পিস ইয়াবার কথাই নিশ্চিত করেছেন বলে দাবী করেন।

এদিকে মামলার এজহারের লিখিত বর্ণনা অসত্য বলে দাবী করেছেন ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী।
ঝন্টুর শ্যালক জাহিদ হোসেন জানান, বুধবার সন্ধ্যায় আমার দুলাভাই সেলুনে শেভ করতে যান। তার মুখে শেভিং ক্রীম লাগানোর পর হঠাৎই এস আই বারেকসহ কয়েকজন পুলিশ এসে তার শেভ বন্ধ করতে বলে। মুখ ধুয়ে দিলে, ওসি সাহেব ডাকছেন বলে তাকে নিয়ে যান। কিন্তু তাকে কোন তল্লাশী বা মাদক রয়েছে বলে সন্দেহভাজন বলেও দাবী করে নি। পরে থানায় গিয়ে শুনছি তার কাছে নাকি ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। সে মাদক সেবী নয়, ব্যবসা করার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করছি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ফারুক হোসেন ও সাইফুল ইসলাম জানান, ঝন্টুকে আটক করতে দেখে আমরা এগিয়ে যাই। ঝন্টু দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেনি। পুলিশ তাকে কথা বলার কোন সুযোগ না দিয়েই ধরে নিয়ে যায়। এখন আবার শুনেছি ১০ পিস ইয়াবা দিয়ে চালান করেছে, বিষয়টি সত্যিই আশ্চর্যের। তাকে থানায় নিয়ে মাদক দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম আজাদ বলেন, আমার অফিসার ওই ব্যাক্তির নিকট ১০ পিস ইয়াবা পাওয়ার পর মামলা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটকের পর পরই এসআই যদি ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়ার কথা বলে থাকে সেটি তার বিষয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও তিনি জানান।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর