পায়রাকুঞ্জ খেয়াঘাটে ভাড়া নৈরাজ্য, মানা হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্ব | সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
পায়রাকুঞ্জ খেয়াঘাটে ভাড়া নৈরাজ্য, মানা হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্ব | সব খবর | Sob khobar




পায়রাকুঞ্জ খেয়াঘাটে ভাড়া নৈরাজ্য, মানা হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্ব

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ১০২ জন পড়েছে

হাফিজুর রহমান জিহাদ, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর পায়রাকুঞ্জ খেয়াঘাটে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। সেই সাথে করোনার মধ্যেও মানা হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্ব। ট্রলার ও স্পিডবোটে পায়রা নদী পারাপারে ইজারাদারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন যাত্রীরা।

যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই অভিযোগ করেছেন ইজারাদারের লোকজন তাদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করছে। ঠাসাঠিাসি করে যাত্রী তুলছে। প্রতিবাদ করলেই হতে হচ্ছে লাঞ্ছিত। মাঝিরা পর্যন্ত তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে।

নাম বলতে না চাওয়া একজন জানান, পায়রা নদীর পায়রাকুঞ্জ থেকে বেতাগি, মির্জাগঞ্জে যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা ফেরি ও খেয়াঘাট। খেয়ার ইজারাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে দিন-রাত মিলিয়ে মাত্র তিন থেকে চারবার ফেরি যাতায়াত করে। এ সুযোগে ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছে মাফিক ভাড়া আদায় করে। যা সবাই জানে। এছাড়াও ট্রলার ছাড়ার ঠিক একটু পরেই ফেরি ছেড়ে দেয়া হয় যা যোগসাজশেরই বহিঃ প্রকাশ।

পটুয়াখালী জেলা পরিষদের মালিকানাধীন এই খেয়াঘাটের নির্ধাারিত টোল হচ্ছে- জন প্রতি ১০ টাকা, চালকসহ বাইসাইকেল ১২ টাকা, চালকসহ মোটরসাইকেল ২৫ টাকা, রিকশা, ভ্যান, ঠ্যালাগাড়ি ১৩ টাকা, গরু-মহিষ এক বছরের উপরে ১৫ টাকা, এক বছর পর্যন্ত ১০ টাকা, ছাগল-ভেড়া ৮ টাকা।

এছাড়া ১৫ কেজির উপরে মালামাল ০.২৫ টাকা, সিমেন্ট/ সার /চালের বস্তা ৫০ কেজি পর্যন্ত ৮ টাকা, ৫০ কেজির উপরে ১০ টাকা, আসবাবপত্র প্রতিটি ১৫ টাকা, ঢেউটিন প্রতি বান্ডিল ২০ টাকা, হাঁস/মুরগি ভর্তি খাঁচা ১৫ টাকা। এছাড়া শিক্ষার্থী ও প্রতিবন্ধীদের কাছ থেকে কোনো টোল আদায় করা যাবে না। কিন্তু সেই নিয়মের কোনো তোয়াক্কা করে না ইজারাদারের লোকজন।

সম্প্রতি টোল আদায়কারী জহিরুল ইসলাম মনু বলেন, এ ঘাটের ইজারাদারকে দিয়ে আপনি কী করবেন? বেশি বাড়াবাড়ি ভাল না। ভাড়া আমরা যা চাই তাই দিতে হবে। আর আমরা করোনার মধ্যে কিভাবে যাত্রী উঠাবো তা আপনাদের থেকে শিখবো না।

স্থানীয়রা বলেন, একটি সিন্ডিকেট এ খেয়াঘাট নিয়ন্ত্রণ করছে। আর ওই সিন্ডিকেটের লোকজন ট্রলারে যাত্রী পারাপার করে থাকে। তারা ইচ্ছেমতোই ভাড়া আদায় করে থাকে। এ ব্যাপারে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কারও কথা বলার সাহস নেই।

একজন যাত্রী বলেন, সম্প্রতি আমি আর আমার এক বন্ধু খেয়া পার হই। আমরা প্রায় সময়ই এখান থেকে যাতায়াত করি।মোটরসাইকেল ও আমরা দুইজনসহ করোনায় যাত্রী কম উঠায় বলে ১৫০ টাকা ভাড়া রেখেছে ইজারাদারের লোকজন। আমরা প্রতিবাদ করলে ইজারাদারের পেটোয়া বাহিনীর হাতে লাঞ্ছিত হতে হয়।

এদিকে সরকারী খেয়াঘাটে নিয়োজিত অসাধু ইজাদারদের অত্যাচার থেকে সাধারণ যাত্রীরা দ্রুত মুক্তি পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন যাত্রী ও এলাকাবাসীরা ।

সবখবর/ নিউজ ডেস্ক




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর