ফরিদপুরে নৌ পুলিশের এএসপির হাতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিডি লাঞ্ছিত | সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
ফরিদপুরে নৌ পুলিশের এএসপির হাতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিডি লাঞ্ছিত | সব খবর | Sob khobar




ফরিদপুরে নৌ পুলিশের এএসপির হাতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিডি লাঞ্ছিত

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ১১৯ জন পড়েছে

মোঃ ইনামুল হাসান মাসুম, ফরিদপুর: ফরিদপুরে নৌ পুলিশের এএসপির হাতে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ পরিচালকের শারিরীক ভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায় আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪.১৫ মিনিটে শহরের গোয়ালচামট ১নং সড়ক সংলগ্ন পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিবেশ অধিদপ্তরে হঠাৎ প্রবেশ করে প্রথমে কর্তব্যরত হিসাবরক্ষণ হানিফ মুহাম্মদ উজ্জলকে গালিগালাজ করে ও চড় থাপ্পর মারে।  সেই সাথে পরিদর্শক তুহিন আলম ও সদ্য যোগদানকৃত মহিলা কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক গীতা রানী দাসকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. মোঃ লুৎফর রহমান সুমিত চৌধুরীকে বাধা দিতে এলে তাকেও শারিরীক ভাবে লাঞ্ছিত করে এবং সিসি টিভির ফুটেজ এর আলামত সহ অফিসের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অপচেষ্টা চালায়। এ সময় ড. লুৎফর রহমান নিজের সম্মান রক্ষার্থে অফিস থেকে বের হয়ে সরাসরি ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ আলীমুজ্জামানের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন।

তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশাকে ঘটনাস্থলে পাঠান। পরে ডিবি পুলিশ সুমিত চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যান বলে জানা যায়।

এই ঘটনায় বাংলাদেশ এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন ফরিদপুর জেলা শাখা তিব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ড. মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতভম্ব হয়ে পরি। আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি যা তিনি একজন বিসিএস কর্মকর্তা এবং একজন এএসপি। আমরা পাশাপাশি অফিস, তাদের দ্বারা এমন ক্ষতি হবে তা আধাসামরিক করিনি। অভিযোগ দিচ্ছি, আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ রয়েছেন তারাই ব্যবস্থা নিবেন।

এ বিষয়ে খবর জানতে নৌ পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আরিফ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এএসপি সুমিত চৌধুরী এ রকম নেশা গ্রস্থ অবস্থায় মাঝেমধ্যে থাকে। তার কারণে স্বাধীন ভাবে আমরা কেউ ঠিকমত অফিস করতে পারিনা। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ৩ বার তাহার ব্যপারে অভিযোগ দিয়েছি। আমরা মান সম্মানের ভয়ে অফিসে আসতে পারিনা। যে ঘটনাটি ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি চাই তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার হোক। অপরাধী যেই হোক না কেন তার বিচার হতে হবে।

সবখবর/ নিউজ ডেস্ক




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর