ভাঙন ঝুঁকিতে ঘরবাড়িসহ নানা স্থাপনা
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
ভাঙন ঝুঁকিতে ঘরবাড়িসহ নানা স্থাপনা




ভাঙন ঝুঁকিতে ঘরবাড়িসহ নানা স্থাপনা

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৪ জুলাই, ২০২২
  • ৬০ জন পড়েছে
ফাইল ছবি

ধলেশ্বরী ও ইছামতী নদীতে বাড়ছে পানি। পানি বাড়ার সাথে সাথে মানিকগঞ্জের ঘিওরে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। ভাঙনরোধে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক।

পানি বাড়ায় ইছামতীর ভাঙনে গত কয়েকদিনে উপজেলার সদর ইউনিয়নের রছুলপুর এলাকার ১০টি পরিবারের বসতবাড়ি এবার বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া পাশের কুঠিবাড়ী, রামকান্তপুর ও কুস্তার এলাকার আরো ১৫টি বসতবাড়ি নদীতে চলে গেছে। কুস্তা কফিল উদ্দিন দরজি উচ্চবিদ্যালয় এবং শতবছরের ঐতিহ্যবাহী ঘিওর গরুর হাট অর্ধেক বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে কুস্তা ব্রিজ, ঘিওর-গোলাপনগরের রাস্তা, ব্যাপারীপাড়া কবরস্থান, রসুলপুর কবরস্থান, কুস্তা কবরস্থান, ঘিওর কেন্দ্রীয় শ্মশানঘাট, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চবিদ্যালয়, মসজিদ, মন্দির, ব্রিজ, বাজার, হাট, সরকারি খাদ্যগুদামসহ বেশ কিছু স্থাপনা।

রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুদুর রহমান জানান, প্রতিবছর পানি বাড়লেই নদীতে ভাঙন দেখা দেয়। গত কয়েকদিনে রসুলপুর এলাকার কয়েকটি বাড়িঘর নদীতে চলে গেছে।

নদীভাঙনের সংবাদে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৬ টন টিআর প্রকল্পে চাল বরাদ্দ দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গতকাল শনিবার বিকেলে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তাঁর উদ্যোগে রসুলপুর এলাকায় ভাঙনরোধে অস্থায়ী প্রতিরোধক নির্মাণ করা হয়।

এদিকে ইছামতী নদীর ভাঙনরোধে অস্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ঝুঁকির মুখে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, বাজারসহ রাস্তাঘাট ও অন্যান্য স্থাপনা।

গত বছর বর্ষার আগে পুরোনো ধলেশ্বরীর কুস্তা ও নারচী পাড়ে ভাঙনরোধে প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ নির্মাণ করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র স্রোতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে প্রতিরক্ষামূলক বাঁধের জিও ব্যাগ। চলতি বছর বাঁধ কিংবা প্রতিরক্ষামূলক জিও ব্যাগ স্থাপনের কোনো কাজ না করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এবার শ্রীধরনগর, মাইলাগী, ঘিওর পূর্বপাড়া, ঘিওর নদীর উত্তর পাড়ের বাজার এলাকার দুটি স্থাপনা, কমপক্ষে ২০টি বসতবাড়ি ধলেশ্বরীর ভাঙনের শিকার হয়েছে। বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, ব্রিজসহ ৫টি প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিতে রয়েছে।

নারচী গ্রামের সোহেল মিয়া জানান, ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বাঁধ চাই আমরা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। রসুলপুরসহ উপজেলার ১৪-১৫টি ভাঙন এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর