মানিকগঞ্জ সরকারী গণগ্রন্থাগারে বই আছে পাঠক নেই | সব খবর | Sob khobar মানিকগঞ্জ সরকারী গণগ্রন্থাগারে বই আছে পাঠক নেই | সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :




মানিকগঞ্জ সরকারী গণগ্রন্থাগারে বই আছে পাঠক নেই

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২২৪ জন পড়েছে

মানিকগঞ্জ: ৪০ হাজারের বেশি বই থাকলেও পাঠক নেই মানিকগঞ্জ সরকারি গণগ্রন্থাগারে। শহরের একটু বাইরে এবং প্রচার প্রচারনা না থাকার কারণেই পাঠকশূণ্য গ্রন্থাগারটি। তবে, পাঠক বাড়ানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গ্রন্থাগার কতৃপক্ষ।

গণগ্রন্থাগার সূত্রে জানা গেছে, মানিকগঞ্জ পৌরসভার বেউথা এলাকায় ৩৩ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার। ২০১২ সালে শহরের শহীদ রফিক সড়কের ভাড়া জায়গা থেকে নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয় গ্রন্থাগারটি। গ্রন্থাগারটিতে বর্তমানে ৪০ হাজারের বেশি নানা ধরনের বই রয়েছে। এতে পাঠকদের জন্য আসন রয়েছে দুই শতাধিক। ৮জনের মধ্যে জনবল রয়েছে মাত্র চারজন। এদের মধ্যে একজন সহকারী গ্রন্থাগারিক, একজন করে ক্যাটালগার, অফিস সহায়ক ও নৈশ্যপ্রহরী রয়েছে।

সরেজমিন গ্রন্থাগার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রন্থাগারটিতে হাতে গোনা কয়েকজন পাঠকের পদচারনা রয়েছে। চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া কয়েকজন বেকার ছেলে-মেয়েই মূলত গ্রন্থাগারে নিয়মিত আসা যাওয়া করে। গ্রন্থাগার থেকে স্কুল কলেজের অবস্থান কিছুটা দূরে হওয়ায় আসা যাওয়াতেই খরচ হয়ে যায় ২০ থেকে ৫০ টাকা। মূল রাস্তা থেকে কিছুটা ভেতরে অবস্থিত গ্রন্থাগারটির প্রবেশদ্বারে নেই কোন সাইনবোর্ড। প্রচারনা না থাকার কারণে অনেকেই জানেনা গ্রন্থাগারটির খবর।

গ্রন্থাগারে আসা পাঠক আলমগীর হোসেন জানান, প্রতিদিন চাকরী প্রত্যাশী ১০/১৫ জন গ্রন্থাগারে নিয়মিত আসা যাওয়া করে। এর বাইরে পাঠকের কোন দেখাই পাওয়া যায়না। ওই কয়েকজন মূলত গ্রন্থাগারে চাকরি বিষয়ক পড়াশোনা করতেই আসে।

আরেক পাঠক রাকিব হোসেন জানান, শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে কিছুটা দূরে হওয়ার কারণে এখানে আসা যাওয়া করতে অন্তত ৩০/৪০ টাকা খরচ হয়ে যায়। একজন ছাত্রের পক্ষে এই টাকা খরচ করা সম্ভব হয়না। যাতায়াতের কারণেই মূলত পাঠকের আসা যাওয়া কম এখানে।

ইতি বিশ্বাস  নামের আরেক পাঠক জানান, গ্রন্থাগারটির কোন প্রচারণা নেই। তাছাড়া রাস্তার পাশের এই গ্রন্থাগারটিতে নেই কোন সাইনবোর্ড। তবে, পাঠক বাড়াতে কর্তৃপক্ষকে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে। তাছাড়া অনেক প্রয়োজনীয় বইও নেই গ্রন্থাগারটিতে।

শহরের খান বাহাদুর আওলাদ হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক একে এম সিদ্দিকুর রহমান জানান, বর্তমানে ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির ব্যাপকতার কারণে বর্তমান প্রজন্ম বই থেকে অনেকটা দূরে। পাঠক বাড়াতে হলে বিভিন্ন স্কুল কলেজে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে।

জেলা গণগ্রন্থাগারের সহকারী লাইব্রেরীয়ান মাসুমা নাজনীন সবখবরকে জানান, আমাদের এখানে জনবল সংকট রয়েছে। ৮ জনের মধ্যে জনবল রয়েছে মাত্র ৪ জন। ২০১২ সালের আগে শহরের ভাড়া অফিসে গ্রন্থাগারটিতে প্রচুর পাঠকের সমাগম হতো। কিন্তু বর্তমানে শহরের একটু দূরে হওয়ায় পাঠকের সংখ্যা কমে গেছে। পর্যাপ্ত বাজেট না থাকার কারণে আমরা প্রচারনাও ঠিকমত চালাতে পারছিনা। তবে, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে তারা ব্যবস্থা নেবেন বলে আমাদেরকে আশ^স্ত করেছে।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর