মিরসরাইয়ে সরকারহাট স্কুলের ৯০ ব্যাচের পুণর্মিলনী - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
মিরসরাইয়ে সরকারহাট স্কুলের ৯০ ব্যাচের পুণর্মিলনী - সব খবর | Sob khobar




মিরসরাইয়ে সরকারহাট স্কুলের ৯০ ব্যাচের পুণর্মিলনী

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩৩৬ জন পড়েছে

সাদমান সময় (মিরসরাই) চট্টগ্রাম : মিরসরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সরকারহাট এন আর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি-১৯৯০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দিনব্যাপী পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন। পুরোনো ক্যাম্পাসে স্মৃতি হাতড়াতে তারা ছুটে এসেছেন দেশের দূরদুরান্ত থেকে নিজেদের কর্মব্যস্ততা ফেলে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন মো. ফজলুল কবির চৌধুরী, মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, সাজেদা বেগম রুমা, শাহনেওয়াজ আলম, সফিউল আজম ফারুক, আঞ্জুমান আরা বেগম, মো. সেলিম উদ্দিন, সলিল কুমার বড়ুয়া প্রমুখ।

শুরুতে সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে র‌্যালি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।
বিদ্যালয়ের ৯২ ব্যাচের শিক্ষার্থী সমুদ্র টিটু সঞ্চালনায় ও সরকারহাট এন আর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রফিউজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক প্রিয়তোষ নাথ।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাক্তন সিনিয়র শিক্ষক গোষ্ঠ বিহারী সাহা, মধুসূদন দেববর্মন, আব্দুল কাইয়ুম নিজামী, প্রেমতোষ বড়–য়া, নমিতা সাহা, মনিরুল ইসলাম নিজামী, ইমাম হোসেনসহ বিদ্যায়ের সকল প্রাক্তন শিক্ষকবৃন্দ।

১৯৯০ ব্যাচের বিদ্যালয়ের প্রয়াত ছাত্র গোলাম কিবরিয়া ও নারায়ণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ১৯৯০ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাজেদা বেগম রুমা বলেন, আমরা শৈশব কৈশরের খোঁজে এখানে ছুঁটে এসেছি। স্বপ্নের দরবারে স্মৃতির আঙ্গিনায়। ৫ম শ্রেণী পাশ করে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে এই স্কুলে আমার যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ ৩০বছর আপন ক্যাম্পাসে সকল বন্ধুদের একসাথে পেয়ে আবেগে আপ্লুত।

আরেক শিক্ষার্থী উৎপলা ভৌমিক বলেন, সেই ৬ষ্ঠ থেকে এসএসসি পাশ করা পর্যন্ত সকল সহপাঠিদের সাথে আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে বিদ্যালয়ের কঠোর অনুশাসনের মধ্যে পার করেছি। কর্মজীবনে আজ আমি যেখানে দাড়িয়ে এতে আমার বিদ্যালয়ের অবদান অনেক। আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

শুধু সাজেদা বেগম ও উৎপলা ভৌমিক নয় সকল প্রাক্তনদের আবেগ যেন একটু বেশি ছিলো। খুনসুটিতেও কেউ কাউকে ছাড়দেননি। তাদের আবেগ, স্মৃতিচারণ, আড্ডা, ছুঁয়ে যায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গন।

প্রাক্তন শিক্ষকদের উত্তরীয়, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান, স্মৃতিচারণ, বন্ধন’৯০ মোড়ক উন্মোচন, শিক্ষার্থীদের পরিবার নিয়ে দুপুরের খাওয়ার, দলগতভাবে ফটোসেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শেষ বিকেলে কপি আড্ডায় শেষ হয় ১৯৯০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুর্ণমিলনী অনুষ্ঠান।




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর