রিকশা-ভ্যানে করে কর্মস্থলে ছুটছে মানুষ - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
রিকশা-ভ্যানে করে কর্মস্থলে ছুটছে মানুষ - সব খবর | Sob khobar




রিকশা-ভ্যানে করে কর্মস্থলে ছুটছে মানুষ

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১
  • ৮৯ জন পড়েছে

মানিকগঞ্জের সড়ক-মহাসড়কে আজও ছিল ঢাকামুখী যাত্রী, ব্যক্তিগত ও ছোটগাড়ীর চাপ। ঈদের ছুটিতে যারা বাড়িতে এসেছিলেন তারা এখন ফিরছেন কর্মস্থলে। কঠোর লকডাউনের জন্য গনপরিবহন বন্ধ থাকায়, অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে খোলা পিকআপ ভ্যান, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটর সাইকেল, রিক্সা ও ভ্যান। পথে পথে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।

আজ (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে মহাসড়কে দেখা গেলো অন্তত কয়েকশ নারী-পুরুষ-শিশু গাড়ীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানে একটি গাড়ী আসামাত্র হুমরি খেয়ে পড়ছেন গাড়ীতে উঠতে।

মানিকগঞ্জ থেকে নবীনগর-সাভারগামী পিকআপ ভ্যানে ২০ থেকে ২২ জন করে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি ৪০০টাকা। মোটরসাইকেলে দুইজন যাত্রী নেওয়া হচ্ছে, ভাড়া জনপ্রতি ৩০০ থেকে ৪০০। ভ্যানে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে ১২জন, ভাড়্রা জনপ্রতি ২৫০টাকা। এমনিভাবে সবধরণের গাড়ীতেই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের।

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া গ্রামের মো. স্বপন হোসেন বলেন, ‘আমি একজন পোশাক শ্রমিক। আমি সাভারের বাইপাল এলাকার একটি কারখানায় কাজ করি। ঈদের ছুটিতে গণপরিবহন চালু ছিলো, স্ত্রীকে নিয়ে খুব সহজেই বাড়িতে আইছিলাম। ঈদের পরে তো সরকার কঠোর লকডাউন দিছে। বাস চলতেছে না। এখন যামু কেমনে। কারখানায় না গেলেতো চাকরী থাকবে না। আমি, আমার স্ত্রী আর শালিকে নিয়া বাইপালে যাইতেছি। বাড়ি থেকে বিভিন্ন গাড়ীতে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত আসতে ভাড়া লাগছে ৪৯০টাকা। এখান থেকে প্রাইভেটকার নবীনগর পর্যন্ত যাইতে ভাড়া চাইতাছে ৪০০ কইরা। আর খোলা পিকআপ ভ্যানে চাইতাছে ৩০০ কইরা। ওইখান থেকে বাইপাল যাইতে আরও যে কত লাগবো, আল­াই জানে। অথচ বাস চালু থাকলে আমার বাড়ি থেকে বাইপাইল পর্যন্ত যাইতে তিনজনের মোট ভাড়া লাগতো ৩৬০টাকা। অথচ, এখন ভাড়া লাগতাছে একহাজার টাকা ওপরে। সরকার ঈদের আগে যেমন লকডাউন শিথিল করছিল, ঈদের পরে যদি সাতদিন লকডাউন শিথিল করতো- তাইলে আমাগো এই ভোগান্তি হয়তো না।’

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তাড়াইল গ্রামের আলিফ হোসেন বলেন, আমি সাভার এলাকার একটি প্রাইভেট কোম্পনীতে চাকরী করি। বসে যাইতে বলেছে। না গেলে, চাকরী থাকবে না। একারণে বাধ্য হয়েই কর্মস্থলে যাচ্ছি। আমার এক বন্ধু বাড়ি থেকে মানিকগঞ্জবাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মোটরসাইকেলে দিয়ে গেলো। এখন গাড়রি জন্য দাড়াইয়া রইছি। পিকআপ ভ্যান, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও মাইাক্রেবাসে অতিরিক্ত ভাড়া চাইতাছে। মানিকগঞ্জ থেকে নবীনগর-সাভারের বাস ভাড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা। অথচ এখন ভাড়া দিতে হইতেছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। বাস চালু থাকলে এই ভোগান্তিতে পড়তে হইতো না।’

এই পথে ঢাকায় ফেরা যাত্রীরা বলছেন, ঈদের আগে যেমন লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল, ঈদের পরেও অন্তত সাত দিন লকডাউন শিথিল করা দরকার ছিল।

সবখবর/ নিউজ ডেস্ক




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর