শিবালয়ে প্রতিবন্ধী এক কিশোরকে বলৎকার, গ্রেফতার তিন - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
শিবালয়ে প্রতিবন্ধী এক কিশোরকে বলৎকার, গ্রেফতার তিন - সব খবর | Sob khobar




শিবালয়ে প্রতিবন্ধী এক কিশোরকে বলৎকার, গ্রেফতার তিন

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৬ জন পড়েছে

মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের শিবালয়ে অসহায় এক প্রতিবন্ধী কিশোর (১৪) কে বলৎকারের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার দুপুরে শিবালয় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত হবিবর ও নীল কমলকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো তিনজনকে আসামী করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার তেওতা এলাকার তেওতা বাছেট গ্রামের মৃত মনছুর শেখের ছেলে হবিবর শেখ(৬৪), বাবুর বাড়ি তেওতার মৃত নিরঞ্জন সরকারের ছেলে নীল কমল সরকার(৩৯) এবং ভোলা ফকিরের ছেলে সাইফুল ইসলাম(৪৫)।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরের পরিবারের সবাই এক প্রকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। ওই কিশোরের বাবা বিচ্ছিন্ন এক ঘটনায় ছয় বছর আগে মারা যায়। এর পর গত এক বছর আগে দাদীকে হারান। অসহায় পরিবারটি মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন মত জীবন পাত করে থাকেন। অসহায় কিশোর মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় রাতের বেলায় তেওতা বাজারে ঘুরে বেড়ায়। এ সুয়োগে বিগত কয়েক মাস যাবৎ বিভিন্ন সময় তেওতা জমিদার বাড়ির পরিত্যক্ত ভবন,যমুনা নদীর পাড়সহ কয়েকটি স্থানে টাকার লোভ দেখিয়ে হবিবর, নীলকমল, সাইফুল, কোহিনুর মিয়া, মোশাররফ হোসেন এবং স্বপ্ন মিয়া ওই কিশোরকে জোরপূর্বক বলৎকার করে। চলতি সাপ্তাহের গত শনিবার রাতে ওই চক্রটি আবার পালাক্রমে ওই কিশোরকে জোরপূর্বক বলৎকার করে। বিষয়টি গতকাল মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের কাছে ভাঙ্গা ভাঙ্গা ভাবে ভুক্তভোগী জানায়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসি বিষয়টি থানায় অবগত করেন।

শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ কবির জানান, ওই কিশোরের বলাৎকারের বিষয়টি অবগত হবার পরই তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। পলাতক বাকি আসামীদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। ভুক্তভোগীর নিকট আত্মীয় স্বজন কেউ না থাকায় এবং তার মা মানসিক অসুস্থ হওয়ায় থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৯(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত, আশিষ কুমার সান্যাল বলেন, ভিকটিমকে ২২ধারায় জবানবন্দির জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাকে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

আ/লি




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর