শিশুরা না ঘুমাতে চাইলে যা করবেন - সব খবর | Sob khobar
  1. admin@sobkhobar.com : admin :
  2. editor@sobkhobar.com : editor :
শিশুরা না ঘুমাতে চাইলে যা করবেন - সব খবর | Sob khobar




শিশুরা না ঘুমাতে চাইলে যা করবেন

সব খবর রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২
  • ২৩ জন পড়েছে

এমন অনেক শিশু আছে যারা রাত বেশি হওয়ার পরও ঘুমাতে যেতে চায় না। কারন তারা টিভি বা ভিডিও গেম দেখে রাত জেগে থাকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতে, ১২ বছরের নিচে শিশুদের ১০-১২ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়ে থাকে। শিশুদের শরীরে এবং মনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে পর্যাপ্ত ঘুমের কারনে।

কয়েকটি জরীপে দেখা গেছে, ঘুম কম হওয়ার কারনে শিশুদের অস্থিরতা ভাব এবং মনোযোগের ক্ষমতা নষ্ট হতে দেখা যায়। খিটখিটে ভাব বা ঝিমুনিভাব অথবা অসময়ে ঘুমিয়ে পড়ার মত অভ্যাসও হতে পারে। বাচ্চাদের এই যে বদঅভ্যাসের কারনে তাদের মস্তিষ্ক ও স্মৃতি শক্তির উপরেও ক্ষতি সাধন হতে পারে।

সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, বেশি রাত করে ঘুমানোর প্রবনতা যে শিশুদের মধ্যে আছে তাদের ক্লাসের কোর্সওয়ার্কের প্রায় ১৫ শতাংশই শিশুই ভুলে গেছে পর্যাপ্ত ঘুমের কারনে। তাই শিশুদের রাত জাগার প্রবনতা পরিহার করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের ধারনা, শিশুদের ঘুমের ব্যাপারে নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে। যাতে করে নির্দিষ্ট একটা সময়ে শিশু ঘুমাতে যেতে পারে এবং কোন কারনেই এর ব্যতয় যাতে না ঘটে সেই বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। নিয়মিত ভাবে কয়েকদিন এমন করে ঘুমাতে দিতে পারলে নির্দিষ্ট সময়ে এমনিতেই শিশুরা ঘুমিয়ে পড়বে।

শিশুদের পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য কমপক্ষে ঘন্টাখানিক আগে তাদের থেকে সবধরনের বিনোদনের সরঞ্জামাদি দূরে রাখুন। প্রয়োজন অনুযায়ী আলোর স্বল্পতা বা আলো না থাকা, জোড়ে শব্দ না করা, বিভিন্ন প্রকারের গল্প করে ঘুম আনা, যাতে করে সে তার কল্পনার শক্তিতে ঢুকে গিয়ে খুব দ্রুত ঘুম আসতে পারে।

অনেক সময় শিশুদের দুষ্টুমি বা চঞ্জলতার কারনে এগুলো নাও হতে পারে অন্য কোন শারিরিক সমস্যা জনিত কারনেও ঘুম কম হতে পারে। যদি কোন শিশুর শারীরিক সমস্যা যেমন অ্যাজমা বা হাঁপানি মত রোগের কারনে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। বন্ধু ও পরিবারের কারও সাথে মানসিক বা মনমালিন্যের কারনেও এমন সমস্যা হতে পারে। এক্ষেত্রে শিশুর সাথে খোলামেলা আলোচনা
বিশেষজ্ঞের মতে, অনেক সময় নিছক দুষ্টুমি বা ছটফটে স্বভাবের জন্য নয়, বিশেষ কিছু শারীরিক সমস্যার কারণেও শিশুদের ঘুমের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। হাঁপানি বা অ্যাজমার অথবা অ্যাডিনয়েডের সমস্যা থাকলে শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উত্তম।

শিশুদের ঘুম কম হওয়ার কারন হতে পারে খিদে পেটে শুতে যাওয়া। তাই ঘুমের আগে ভাল করে খাওয়া। শিশুকে ঘুমের আগে এক গ্লাস দুধ খাওয়াতে পারেন। গবেষণা অনুযায়ী, কোন শিশু ঘুমানোর আগে ভারিযুক্ত খাবার বা মসলাযুক্ত খাবার না খাওয়ানো ভাল। পেটের সমস্যার কারনে ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে। রাতে শিশুকে কফি, চকলেট বা অন্য কোন ক্যাফেইন জাতীয় খাবার না খাওয়ানোর অভ্যাস করতে পারেন। কারন ক্যাফেইন জাতীয় খাবার হরমোন নষ্ট করে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

রা/চৌ




Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর




ফেসবুকে সব খবর